ভালো ঘুমের জন্য যা করণীয়

0

শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। ভালো ঘুম না হলে শরীরের পাশাপাশি মানসিক অসুস্থতাও দেখা দেয়। এ কারণে প্রতিদিন অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেকের অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন। সেক্ষেত্রে ভালো ঘুমের জন্য তারা কিছু বিষয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

ফোন বন্ধ করে ঘুমানো: ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা আগে টিভি, কম্পিউটার এবং নীল রশ্মি ছড়ায় এমন ডিভাইসগুলো বন্ধ রাখলে ঘুম ভালো হবে।

বিশ্রাম নেওয়া : দিনের বেলা বিশ্রাম নিলেও তা ২০ মিনিটের বেশি হওয়া উচিত নয়।

ঘড়ি বন্ধ করে ঘুমানো : পরের দিন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে হবে ভেবে অনেকের ঘুম আসে না। এমন হলে অ্যালার্ম ঘড়িটি ড্রয়ারে বা খাটের নিচে রেখে দিন।

কোলবালিশ ব্যবহার করা : ব্যাক পেইন গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ব্যাক পেইন থাকলে কোলবালিশ ব্যবহার করা উচিত।

কাঁধ স্বাভাবিক রাখা : ভালো ঘুমের জন্য সঠিক বালিশ বাছাই করা জরুরি। বালিশ যেন বেশি পুরুও না হয়, আবার পাতলা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। পেটে ভর দিয়ে কখনো ঘুমানো উচিত নয়। এতে ঘাড় ব্যথা হতে পারে।

বায়োলজিকাল ক্লক : প্রতিদিন নিয়ম করে একই সময়ে ঘুমাতে যান, ও ঘুম থেকে উঠুন। ছুটির দিনগুলোতেও একই কাজ করুন। ঘুম থেকে উঠার পর ৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য সূর্যের আলোতে যাওয়া উচিত।

ক্যাফেইন : বিকালের পরে ক্যাফেইন গ্রহণ করা উচিত নয়। চকলেটে থাকা অল্প পরিমাণ ক্যাফেইনও রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম করলে ঘুম ভালো হয়। তবে ঘুমাতে যাওয়ার ৩-৪ ঘন্টা আগে ব্যায়াম শেষ করা উচিত।

রাতের খাবার: বেশি রাতে ভারি কোনো খাবার না খাওয়াই ভালো। সন্ধ্যায় হালকা স্ন্যাক খাওয়া উচিত, যা ভালো ঘুম হতে সাহায্য করবে।

আলো কমিয়ে ঘুমানো: ঘুমাতে যাওয়ার ২-৩ ঘণ্টা আগে রুমের আলো কমিয়ে রাখুন। কম আলো মস্তিষ্ককে মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করার জন্য সংকেত দেয়। এই হরমোন ঘুমের সহায়ক।

মনকে মুক্ত করুন : ঘুমানোর আগে কোনো কঠিন বা বড় কাজ করা উচিত নয়। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর আগে বই পড়া বা মেডিটেশনের অভ্যাস করা উচিত।

সূত্র: ওয়েবএমডি

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

%d bloggers like this: