অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফাইজারের টিকা চান ছুটিতে থাকা কুয়েত প্রবাসীরা

0

করোনাভাইরাসের কারণে কুয়েতের ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অসংখ্য প্রবাসী দেশে আটকা পড়েছেন। দীর্ঘদিন ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা। বারবার ফ্লাইট চালু হওয়ার কথা থাকলেও নেই কোনো অগ্রগতি। অন্যদিকে ডুবাই হয়ে দেশটিতে যেতে গিয়ে আটকা পড়ছেন অনেকেই।

কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যম আল রাই জানিয়েছে, ট্রানজিটে যারা আছেন তাদেরকে অনুমতি দেয়া হবে কুয়েত প্রবেশের। শুধুমাত্র যারা কুয়েত অনুমোদিত (অক্সফোর্ড, ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মডার্না ও জনসন) টিকা গ্রহণ করেছেন। তবে  অনুমতি দেয়া হবে না উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর যাত্রীদের।

সরকারি যোগাযোগ কেন্দ্র, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করবে। এই তালিকায় সংক্রমণের পরিমাণ বেশি এবং ভারতীয় ভাইরাসের স্ট্রেন শনাক্ত করা হয়েছে এমন দেশগুলোর নাম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

বাংলাদেশে কুয়েত অনুমোদিত টিকা এতদিন না থাকায় প্রবাসীরা ফিরতে পারেনি। রোববার (৩০ মে) কাতার এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে দেশে এসেছে কোভ্যাক্সের পক্ষ থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা। রাত ১১টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফাইজারের টিকাগুলো দেশে এসেছে।

কুয়েত অনুমোদিত ফাইজারের টিকা দেশে এসেছে শুনে আনন্দিত ছুটিতে থাকা প্রবাসীরা। এই টিকা কাদের দেয়া হবে সেই ঘোষণা আসেনি এখনো, তাই স্বস্তিতে নেই এসব রেমিট্যান্সযোদ্ধারা। তাদের দাবি প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদানের আওতায় আনা হোক, যাতে করে এসব রেমিট্যান্সযোদ্ধারা প্রবাসে কর্মস্থলে ফেরার ক্ষেত্রে জটিলতা এড়াতে পারে।

ছুটিতে থাকা কুয়েত প্রবাসী বেলাল রানা বলেন, আমরা যারা ভ্যাকসিনের জন্য কুয়েতে যেতে পারছি না, তাদের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক ভাগ করে, আইডি কার্ড না থাকলেও পাসপোর্ট অনুযায়ী ভ্যাকসিন দিতে সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রবাসী আনোয়ার বলেন, দীর্ঘদিন কুয়েতের ফ্লাইট বন্ধ থাকায় যারা দেশে আটকা পড়েছে তাদেরকে আগে দেয়া উচিত। তাদের পরিবার এবং নিজের তাতে খুব উপকার হবে।

রিয়াজ হোসাইন নামে আরেক প্রবাসী বলেন, কুয়েতে যেতে হলে যেহেতু প্রবাসীদের ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেহেতু তাদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চালু করা হোক অনলাইন নিবন্ধন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.